
অভিব্যক্তি ও অভিযোজন
১. জীবনের উৎপত্তির রাসায়নিক তত্ত্বটি কে প্রকাশ করেন?
উঃ বিজ্ঞানী ওপারিন, ১৯২০ খ্রীষ্টাব্দে।
২. ‘যোগ্যতমের উদ্বর্তন’ কথাটির সমর্থক কে?
উঃ ডারউইন।
৩. ‘Origin of Species’ বইটি কার লেখা?
উঃ চার্লস ডারউইন-এর লেখা।
৪. ডারউইন তত্ত্বের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কী?
উঃ ডারউইন তত্ত্বের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল “প্রাকৃতিক নির্বাচন”। অনুকূল ভেদ সমন্বিত জীবেরা প্রকৃতি দ্বারা নির্বাচিত হলে অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অধিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করে, ফলে তারা অধিক সংখ্যায় বেঁচে থাকে এবং অধিক হারে বংশবিস্তার করে। অপরপক্ষে, প্রতিকূল ভেদ সমন্বিত জীবেরা প্রকৃতি দ্বারা নির্বাচিত হয় না বলে পরাজিত সৈনিকের মতো ধীরে ধীরে অবলুপ্ত হয়।
৫. ‘অস্তিত্বের জন্য জীবন সংগ্রাম’ কার মতবাদ?
উঃ চার্লস ডারউইনের।
৬. পায়রায় বায়ুথলিতে কটি Air sac থাকে?
উঃ 9টি।
৭. পটকার কোথায় রেড গ্রন্থি থাকে?
উঃ অগ্রপ্রকোষ্ঠে।
৮. নিউম্যাটোফোর কোথায় দেখা যায়?
উঃ ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদে। যেমন- সুন্দরী গাছ।
৯. মৌমাছির ওয়াগটেল নৃত্যের মহড়া দেখতে কেমন?
উঃ অনেকটা ইংরেজি ‘8’ অক্ষরের মতো।
১০. উটের লোহিত কণিকা দেখতে কেমন?
উঃ অপেক্ষাকৃত বড়ো, ডিম্বাকার এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত।
১১. উটের দেহকোষে কোথা থেকে জল সরবরাহ হয়?
উঃ উটের পাকস্থলীতে অবস্থিত ওয়টার স্যাক থেকে।
১২. কোন গাছের শ্বাসমূল থাকে?
উঃ সুন্দরী গাছের।
১৩. রাসায়নিক বিবর্তনবাদ কার মতবাদ?
উঃ বিজ্ঞানী ওপারিন ও হ্যালডেনের মতবাদ।
১৪. প্রথম কোথায় জীবের সৃষ্টি হয়েছিল?
উঃ আনুমানিক 300 কোটি বছর আগে সমুদ্রের জলে প্রথম জীবের আবির্ভাব হয়েছিল বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।
১৫. কুমীরের হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের সংখ্যা কটি?
উঃ কুমীর সরীসৃপ হওয়া সত্ত্বেও এদের হৃদপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠযুক্ত।
১৬. শর্করার রাসায়নিক উপাদানগুলি কী ছিল?
উঃ কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O)।
১৭. ‘গরম তরল স্যুপ’ কোথায় সৃষ্টি হয়েছিল?
উঃ সমুদ্রের জলে।
১৮. ‘কোয়াসারভেট’-এর প্রবক্তা কে?
উঃ ওপারিন (1920)।
১৯. মিলার ও ঊরের পরীক্ষার প্রধান উপাদানগুলি কী ছিল?
উঃ মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3) ও হাইড্রোজেন (H2) গ্যাস।
২০. ল্যামার্কের গ্রন্থের নাম কী?
উঃ ফিলোজফি জুওলজিক (Philosophie Zoologique)।
২১. ডারউইনের গ্রন্থের নাম কী?
উঃ On the Origin of Species b Means of Natural Selection।
২২. ‘অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার’ কার মতবাদ?
উঃ ল্যামার্কের।
২৩. ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন’ কার মতবাদ?
উঃ চার্লস ডারউইনের।
২৪. ল্যামার্কের বিপক্ষে কোন বিজ্ঞানী মত পোষণ করেন?
উঃ বিজ্ঞানী ভাইসম্যান (Weismann)।
২৫. ডারউইন যে জাহাজে করে ভ্রমণ করেছিলেন তার নাম কী?
উঃ HMS Beagle।
২৬. ‘মিউটেশন তত্ত্ব’-এর প্রবক্তা কে ছিলেন?
উঃ হুগো দ্য ভ্রিস।
২৭. আধুনিক ঘোড়ার আদি পূর্বপুরুষের নাম কী ছিল?
উঃ ইওহিপ্পাস।
২৮. আধুনিক ঘোড়ার নাম কী?
উঃ ইকুয়াস।
২৯. একটি সমবৃত্তি অঙ্গের উদাহরণ দাও?
উঃ পতঙ্গের ডানা, পাখির ডানা।
৩০. সমসংস্থ ও সমবৃত্তির কোনটি অভিসারী অভিযোজনের উদাহরণ?
উঃ সমবৃত্তীয় অঙ্গ।
৩১. কোন প্রাণীর হৃৎপিণ্ডকে ভেনাস হৃৎপিণ্ড বলে?
উঃ মাছের হৃদপিণ্ডকে।
৩২. কোন উদ্ভিদে পর্ণকাণ্ড দেখা যায়?
উঃ ক্যাকটাস জাতীয় গাছের। যেমন- ফণীমনসা।
৩৩. বাষ্পমোচন রোধের জন ক্যাকটাসের কোন অঙ্গ কাঁটায় রূপান্তরিত হয়েছে?
উঃ পাতা।
৩৪. মাছের কোন অঙ্গ মাছকে জলে ডুবতে ও ভাসতে সাহায্য করে?
উঃ পটকা।
৩৫. পায়রার বায়ু থলির সংখ্যা কত?
উঃ ৯টি
৩৬. উটের লোহিত কণিকার একটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উঃ অপেক্ষাকৃত বড়ো, ডিম্বাকার এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত। এই ধরণের লোহিত রক্তকণিকা জল নিরূদন (dehydration) হ্রাস করে।
৩৭. উটের জল ক্ষয় রোধের উপায়গুলি উল্লেখ করো।
উঃ ১। উটের দেহত্বক থেকে বাষ্পীভবন প্রতিরোধ করার জন্য চামড়া খুব পুরু এবং রোমযুক্ত হয়।
২। নিশ্বাসের সঙ্গে জলীয়বাষ্প যাতে বেরিয়ে না যায় সেই কারণে উষ্ণ নিশ্বাসকে নাসাপথে ঠাণ্ডা করে ত্যাগ করে। ফলে নাসাপথে জল ঘনীভূত হয় এবং নাসাপথের কোশগুলি জল শোষণ করে নেয়।
৩। এরা মল-মূত্রের সঙ্গে জল খুব কম ত্যাগ করে। এরা অর্ধকঠিণ মূত্র ত্যাগ করে এবং ইউরিয়ার পরিবর্তে ইউরিক অ্যাসিড ত্যাগ করে। ফলে মূত্রে জলের অপচয় কম হয়। উট শুষ্ক বিষ্ঠা ত্যাগ করার ফলে জলের অপচয় কম হয়।
৪। এদের কুঁজে সঞ্চিত ফ্যাট বিপাক ক্রিয়ায় বিশ্লিষ্ট হয়ে জল উৎপন্ন করে সারা দেহকোশে সরবরাহ করে।
৫। এদের পাকস্থলীতে অবস্থিত ওয়াটার স্যাক থেকে জল প্রয়োজনকালে দেহে সরবরাহ হয়।
৬। হেনলির লুপ জলের পুনঃশোষণ ঘটিয়ে মূত্রকে ঘন হতে সাহায্য করে।
৭। গ্লোমেরিউলাসে পরিস্রুতকরণের হার কম হয়।
৩৮. ‘বায়োজেনেটিক সূত্র’ – এর প্রবক্তা কে?
উঃ হেকেল।
৩৯. জীববিবর্তন বা জৈব অভিব্যক্তি কাকে বলে?
উঃ যে মন্থর ও গতিশীল ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় কোনো উদ্বংশীয় সরলতম জীব থেকে ক্রমান্বয়ে জটিল জীবের উদ্ভব হয় তাকে অভিব্যক্তি বা জৈব অভিব্যক্তি বা জীববিবর্তন বলে।
৪০. ‘গরম তরল স্যূপ’ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?
উঃ বিভিন্ন প্রকার জৈব যৌগ, যেমন – অ্যাসিটিলিন, মিথেন, ইথিলিন, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, গ্লুকোজ, ফ্রুকোজ, শ্বেতসার, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যামাইনো অ্যাসিড সমুদ্রের জলে মিশে সৃষ্টি হয়েছিল গরম তরল স্যুপ।
৪১. কোয়াসারভেট কাকে বলে?
উঃ কোয়াসারভেট হল লিপিড, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড দ্বারা গঠিত এমন এক সত্ত্বা যাতে কোশপর্দার মতো দ্বিস্তরী আবরণ থাকে। কোয়াসারভেট মতবাদের প্রবক্তা ছিলেন ওপারিন।
৪২. মাইক্রোস্ফিয়ার মডেল কাকে বলে?
উঃ মাইক্রোস্ফিয়ার হল অর্ধভেদ্য পর্দাবেষ্টিত প্রধানত প্রোটিনের একটি গঠন। কোয়াসারভেট বা মাইক্রোস্ফিয়ারের সঙ্গে নিউক্লিক অ্যাসিড যুক্ত হয়ে প্রথম কোশ বা প্রোটোবায়োন্ট বা প্রোটোসেল উৎপন্ন হয়েছিল।
৪৩. অঙ্গের ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্রটি ব্যাখ্যা করো।
উঃ পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার উদ্দেশ্যে জীবদেহের কোনো কোনো অঙ্গের বেশিমাত্রায় ব্যবহার ঘতে, আবার কোনো কোনো অঙ্গের ব্যবহার কমে যায়। ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে নির্দিষ্ট অঙ্গ বা অঙ্গগুলি সবল ও সুগঠিত হয়। অপরপক্ষে, ক্রমাগত অব্যবহারের ফলে অব্যবহৃত অঙ্গগুলি দুর্বল ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং কালক্রমে অবলুপ্ত হয়।
৪৪. অর্জিত বৈশিষ্ট্যর উত্তরাধিকার কীভাবে ঘটে?
উঃ পরিবেশের প্রভাবে জীবের জীবনকালে যেসব বৈশিষ্ট্য অর্জিত হয় তা পরবর্তী প্রজন্মের জীবে সঞ্চারিত হয়। এইভাবে প্রতি প্রজন্মে সামান্য পরিবর্তন পরবর্তী প্রজন্মে জমা হতে হতে কালক্রমে তা একটি বড়ো পরিবর্তন হিসাবে দেখা দেয়। এইভাবে জীবের বিবর্তন ঘটে।
৪৫. ল্যামার্কের মতবাদের পক্ষে দুটি উদাহরণ দাও।
উঃ ১। স্থলচর পাখি খাদ্যের খোঁজে জলে যাওয়ার পর ক্রমাগত সাঁতার কাটার ফলে পায়ের আঙুলগুলির অন্তর্বতী স্থানে পাতলা চামড়া সংযুক্ত হয়ে লিপ্তপদে পরিণত হয়েছে। যেমন হাঁসের লিপ্তপদ।
২। ল্যামার্কের মতে, খর্ব গলাযুক্ত জিরাফ উঁচু গাছের পাতা খাওয়ার জন্য গলা ও সামনের পা প্রতি প্রজন্মে একটু একটু করে লম্বা হয়ে বর্তমান কালের লম্বা গলা ও পা-বিশিষ্ট জিরাফের আবির্ভাব হয়েছে।
৪৬. ল্যামার্কের মতবাদের বিপক্ষে দুটি উদাহরণ দাও।
উঃ ১। বিজ্ঞানী ভাইসম্যান ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে ল্যামার্কের মতবাদকে নাকচ করেছেন। তিনি একজোড়া ইঁদুর দম্পতির লেজ কেটে দিয়ে তাদের প্রজনন ঘটালেন। নতুন অপত্যদের লেজ কেটে দিয়ে প্রজনন ঘটালেন। এইভাবে ৩৫ জনু ধরে লেজ কাটা সত্ত্বেও লেজবিহীন ইঁদুর সৃষ্টি করা যায়নি।
২। ড্রসোফিলা মাছিকে পরপর ৬০ জনু ধরে অন্ধকার ঘরে রেখে জনন ঘটিয়ে কোনো মাছিই অন্ধ হয়ে জন্মাতে দেখেননি।
৪৭. প্রাকৃতিক নির্বাচনবাদ কাকে বলে?
উঃ যে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় অনুকূল ভেদ বা অভিযোজনমূলক ভেদ সমন্বিত জীবেরা অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অধিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে, তাকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে।
৪৮. ভেদ বা প্রকরণ কাকে বলে?
উঃ ডারউইনের মতে পৃথিবীতে দুটি জীব কখনোই অবিকল একই রকমের হতে পারে না, অর্থাৎ দুটি জীবের মধ্যে কিছু না কিছু পার্থক্য বা ভেদ থাকবেই। এমনকি একই পিতামাতার দুটি সন্তানের মধ্যেও কিছু না কিছু পার্থক্য দেখা যায়।
৪৯. অস্তিত্বের জন্য জীবন সংগ্রাম কীভাবে ঘটে থাকে?
উঃ অস্তিত্বের জন্য জীবন সংগ্রাম প্রধানত দুভাবে চলে – যথা – ১। অন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম অর্থাৎ নিজ প্রজাতিভুক্ত জীবদের মধ্যে সংগ্রাম এবং ২। আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম অর্থাৎ বিভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীবদের মধ্যে সংগ্রাম।
৫০. নয়া ডারউইনবাদ কী?
উঃ ভাইসম্যান, দ্য-ভ্রিস, গোল্ডস্মিথ, হ্যালডেন প্রমুখ বিশিষ্ট বিজ্ঞানীগণ ডারউইনের মতবাদকে নতুনভাবে বিশ্লেষণ করে যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন তাকে নয়া ডারউইনবাদ বা আধুনিক সংশ্লেষণবাদ বলে।
৫১. ডারউইনবাদের দুটি ত্রুটি উল্লেখ করো।
উঃ ১। ডারউইন ছোটো ছোটো প্রকরণের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন, কিন্তু লক্ষ করা গেছে ওইগুলির বংশানুসরণ না ঘটায় অভিব্যক্তিতে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
২। ডারউইন কোশ ও জনন কোশের প্রকরণগুলিকে পৃথক করতে পারেননি।
৫২. সমসংস্থ অঙ্গ কাকে বলে?
উঃ যেসব অঙ্গের গঠন একই প্রকার কিন্তু কাজ আলাদা তাদের সমসংস্থ অঙ্গ বলে।
৫৩. সমবৃত্তি অঙ্গ কাকে বলে?
উঃ যেসব অঙ্গ একই কাজ করে কিন্তু গঠন আলাদা তাদের সমবৃত্তীয় অঙ্গ বলে।
৫৪. নিষ্ক্রিয় অঙ্গ কাকে বলে উদাহরণ দাও।
উঃ যদি কোনো প্রাণীর একটি সক্রিয় অঙ্গের কর্মক্ষমতা লোপ পায়, তবে ওই অঙ্গকে নিষ্কিয় অঙ্গ বা ভেস্টিজিয়াল অঙ্গ বলে।
৫৫. উভচর, সরীসৃপ প্রাণীদের হৃৎপিণ্ডের বৈশিষ্ট্য কী?
উঃ উভচর প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড দুটি অলিন্দ ও একটি নিলয় নিয়ে গঠিত। এক্ষেত্রে অলিন্দ দুটি আন্তঃঅলিন্দ পর্দা দিয়ে পৃথক থাকায় অলিন্দে দূষিত ও বিশুদ্ধ রক্ত পৃথক থাকার প্রবণতা দেখা যায়, কিন্তু নিলয়টি এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হওয়ায় উভয় রক্ত মিশে যায়।
সরীসৃপের ক্ষেত্রে নিলয়টি অর্ধবিভক্ত হওয়ায় এখানে উভয় রক্ত আংশিকভাবে পৃথক রাখার বন্দোবস্ত লক্ষ করা যায়।
৫৬. ভেনাস হৃৎপিণ্ড কাকে বলে?
উঃ মাছেদের হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে কম অক্সিজেনযুক্ত রক্ত চলাচল করে। এই কারণে মাছেদের হৃৎপিণ্ডকে ভেনাস হৃৎপিণ্ড বলে।
৫৭. ভ্রুণ অবস্থায় মেরুদণ্ডী প্রাণীদের কী কী খুঁজে পাওয়া যায়?
উঃ গলবিল অঞ্চলে বহিস্থ ফুলকা খাঁজ, একসারি অন্তঃস্থ যুগ্ন ফুলকা থলি, লেজসদৃশ গঠনে উপস্থিত খণ্ডকের মতো সজ্জিত মায়োটোম পেশি।
৫৮. অভিব্যক্তি কাকে বলে?
উঃ যে মন্থর ও গতিশীল ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় কোনো উদ্বংশীয় সরলতম জীব থেকে ক্রমান্বয়ে জটিল জীবের উদ্ভব হয় তাকে অভিব্যক্তি বলে।

0 Comments