প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ


 প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ



১. চুয়াড় বিদ্রোহ কোথায় হয়?

উঃ মেদিনীপুর জেলায়।

২. কে, কবে প্রথম চুয়াড় বিদ্রোহ ঘোষণা করেন?

উঃ ১৭৬৮ খ্রীষ্টাব্দে ধলভূমের রাজা জগন্নাথ সিংহ।

৩. ১৭৭১ খ্রীষ্টাব্দে কার নেতৃত্বে চুয়াড়রা আবার বিদ্রোহ ঘোষণা করেন?

উঃ ধাদকার শ্যামগঞ্জন–এর নেতৃত্বে।

৪. ১৭৯৮-৯৯ খ্রীষ্টাব্দে চুয়াড় বিদ্রোহে কে নেতৃত্ব দেন?

উঃ দুর্জন সিং।

৫. চুয়াড় বিদ্রোহের তিনজন নেতার নাম লেখ।

উঃ জগন্নাথ সিংহ, ধাদকার শ্যামগঞ্জন, দুর্জন সিং।

৬. রংপুর বিদ্রোহ কবে শুরু হয়?

উঃ ১৭৮৩ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ই জানুয়ারি।

৭. রংপুর বিদ্রোহের দুজন নেতার নাম লেখ।

উঃ নূরুলউদ্দিন, দয়ারাম শীল।

৮. দেবী সিং কী?

উঃ পূর্ণিয়ার ইজারাদার।

৯. কবে, কোন যুদ্ধে রংপুর বিদ্রোহীদের চুড়ান্ত পরাজয় ঘটে?

উঃ ১৭৮৩ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসে পাটগ্রামের যুদ্ধে।

১০. কোল বিদ্রোহের চারজন নেতার নাম লেখ।

উঃ বুদ্ধু ভগত, জয়া ভগত,সুই মুণ্ডা, ঝিন্দরাই মানকি।

১১. ‘দিকু’ কারা?

উঃ ১৮২০ খ্রীষ্টাব্দে ইংরেজ ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানী ছোটোনাগপুরের শাসনভার গ্রহণ করে। রাজস্ব আদায়ের জন্য এই অঞ্চল হিন্দু, মুসলিম, শিখ মহাজনদের ইজারা দেওয়া হত। স্থানীয় উপজাতিরা এইসব বহিরাগতদের ‘দিকু’ বলত।

১২. কবে কোথায় ভীল আন্দোলন শুরু হয়?

উঃ ১৮১৮ খ্রীষ্টাব্দে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার খান্দেশ অঞ্চলে।

১৩. কত সালে সাঁওতাল বিদ্রোহ ঘটে?

উঃ ১৮৫৫ খ্রীষ্টাব্দে।

১৪. সাঁওতালদের আদি নাম কী ছিল?

উঃ খেরওয়ার।

১৫. সাঁওতাল বিদ্রোহের কয়েকজন নেতার নাম লেখো।

উঃ সিধু, কানু, চাঁদ, ভৈরব।

১৬. আরবি ভাষায় ফরাজী কথার অর্থ কী?

উঃ ইসলাম নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক কতর্ব্য।

১৭. কত সালে কোল বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?

উঃ ১৮৩২ খ্রীষ্টাব্দে।

১৮. ফরাজী আন্দোলনের প্রবর্তক কে?

উঃ মৌলবী হাজী শরিয়ৎ উল্লাহ।

১৯. ফরাজী আন্দোলন কতদিন চলেছিল?

উঃ ১৮১৮ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১৯০৬ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত।

২০. শরিয়ৎ উল্লাহ কত খ্রীষ্টাব্দে মারা যান?

উঃ ১৮৩৭ খ্রীষ্টাব্দে।

২১. শরিয়ৎ উল্লাহের পর কে ফরাজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন?

উঃ মহম্মদ মুসিন বা দুধুমিঞা।

২২. দুধুমিঞার প্রধান কার্যালয় কোথায় ছিল?

উঃ বাহাদুরপুরে।

২৩. কবে দুধু মিঞার মৃত্যু হয়?

উঃ ১৮৬২ খ্রীষ্টাব্দে।

২৪. দুধু মিঞার পর কে ফরাজী আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন?

উঃ নোয়ামিঞা।

২৫. ওয়াহাবী কথার অর্থ কী?

উঃ নবজাগরণ।

২৬. ওয়াহাবী আন্দোলনের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?

উঃ সৈয়দ আহমদ।

২৭. বালাকোটের যুদ্ধ কত খ্রীষ্টাব্দে সংঘটিত হয়?

উঃ ১৮৩১ খ্রীষ্টাব্দে।

২৮. তিতুমীরের প্রকৃত নাম কী?

উঃ মীর নিশার আলি।

২৯. কত সালে ভারত শাসন আইন পাস হয়?

উঃ ১৮৫৮ খ্রীষ্টাব্দে।

৩০. কত সালে মহারানীর ঘোষণাপত্র প্রকাশিত হয়?

উঃ ১৮৫৮ সালের ১লা নভেম্বর।

৩১. ‘দামিন-ই-কোহ’ কথার অর্থ কী?

উঃ পাহাড়ের প্রান্তদেশ।

৩২. দুধু মিঞা কে?

উঃ ফরাজী আন্দোলনের নেতা।

৩৩. আব্দুল ওয়াহাব কে?

উঃ ওয়াহাবী আন্দলনের নেতা।

৩৪. ‘তারিকা-ই-মহম্মদীয়া’ কথার অর্থ কী?

উঃ মহম্মদ প্রদর্শিত পথ।

৩৫. বাংলাদেশে ওয়াহাবি আন্দোলনের সূচনা করেন কে?

উঃ তিতুমীর।

৩৬. বাঁশের কেল্লা কে, কোথায় স্থাপন করেন?

উঃ তিতুমীর, তাঁর নারকেল বেড়ে গ্রামে।

৩৭. তিতুমীরের সেনাপতি কে ছিলেন?

উঃ গোলাম মাসুম।

৩৮. বারাসাত বিদ্রোহ কী?

উঃ তিতুমীর বাদুড়িয়ার ১০ কিমি দূরে নারকেলবেড়িয়া গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা স্থাপন করে সেখানে তাঁর সদর দপ্তর স্থাপন করে এবং টাকি, গোবরডাঙা প্রভৃতি স্থানের জমিদারদের কাছ থেকে কর দাবি করতে শুরু করেন। এই ঘটনা বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত।

৩৯. তিতুমীর কবে মারা যান?

উঃ ১৯৩১ খ্রীষ্টাব্দের ১৯ শে নভম্বর।

৪০. ‘উলঘুলান’ শব্দের অর্থ কী?

উঃ ভয়ঙ্কর বিশৃঙ্খল।

৪১. মুণ্ডা বিদ্রোহের নেতা কে?


উঃ বীরসা মুণ্ডা।

৪২. বীরসা মুণ্ডা কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উঃ ১৮৭৫ খ্রীষ্টাব্দে রাঁচি জেলার উলিহাতু গ্রামে এক ভাগচাষী পরিবারে বীরসার জন্ম হয়।

৪৩. বীরসা মুণ্ডার পিতার নাম কী?

উঃ সুগান মুণ্ডা।

৪৪. বীরসা মুণ্ডা কবে কিভাবে মারা যান?

উঃ ১৯০০ খ্রীষ্টাব্দের ৯ই জুন রাঁচী জেলে কলেরায় মারা যান।

৪৫. কত সালে নীল কমিশন গঠিত হয়?

উঃ ১৮৬০ খ্রীষ্টাব্দে।

৪৬. নীলদর্পণের ইংরেজি অনুবাদ কার নামে প্রকাশিত হয়েছিল?

উঃ জেমস লং-এর নামে।

৪৭. ভারতে নীল চাষ প্রথম শুরু হয় কবে?

উঃ ১৭৭৯ খ্রীষ্টাব্দে।

৪৮. কে প্রথম ভারতে নীল শিল্প গড়ে তোলে?

উঃ ইংরেজ বণিক কার্ল ব্ল্যাম।

৪৯. নীল বিদ্রোহের দুজন নেতার নাম লেখ।

উঃ দিগম্বর বিশ্বাস, বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস।

৫০. হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার সম্পাদক কে?

উঃ হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়।

৫১. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক কে?

উঃ অক্ষয়কুমার দত্ত।

৫২. নীলদর্পণ নাটকটির রচয়িতা কে?

উঃ দীনবন্ধু মিত্র।

৫৩. নীলদর্পণ নাটকটি কবে প্রকাশিত হয়?

উঃ ১৮৬০ খ্রীষ্টাব্দে।

৫৪. নীলদর্পণ নাটকটি কে ইংরাজিতে অনুবাদ করেন?

উঃ লঙ সাহেবের উদ্যোগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

৫৫. কাকে বাংলার নানাসাহেব বলা হয়?

উঃ রামরতন রায়কে।

৫৬. কাকে বাংলার ওয়াট টাইটেলার বলা হয়?

উঃ বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাসকে।

৫৭. নীলকরদের অত্যাচারের কথা প্রথম কবে, কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

উঃ ১৮২২ খ্রীষ্টাব্দে মে মাসে ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ ও ‘সমাচার দর্পণ’ পত্রিকায়।

৫৮. কবে কোন আইন দ্বারা নীলচুক্তি আইন রদ করা হয়?

উঃ ১৮৬৮ খ্রীষ্টাব্দে অষ্টম আইন দ্বারা।

৫৯. কবে কোথায় দাক্ষিণাত্য বিদ্রোহের সূচনা ঘটে?

উঃ ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে পুণা জেলার কারদে গ্রামে।

৬০. দাক্ষিণাত্য বিদ্রোহ কমিশন কবে গঠিত হয়?

উঃ ১৮৭৬ খ্রীষ্টাব্দে।

৬১. ডোমন মাঝি কে ছিলেন?

উঃ সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতা।

৬২. গয়া মুণ্ডা কে ছিলেন?

উঃ বীরসা মুণ্ডার সেনাপতি ও বিশ্বস্ত অনুচর।

৬৩. ভবানী পাঠক কে ছিলেন?

উঃ সন্ন্যাস-ফকির বিদ্রোহের নেতা।

৬৪. কৃষ্ণদেব রায় কে ছিলেন?

উঃ পুঁড়ার জমিদার।

৬৫. ভারতের প্রথম নীলকর কে?

উঃ লুই বোনার্ড।

৬৬. জোয়া ভকত কে ছিলেন?

উঃ কোল বিদ্রোহের নেতা।

৬৭. ‘ছোটোনাগপুর প্রজাস্বত্ব আইন’ কবে পাশ হয়?

উঃ ১৯০৮ খ্রীষ্টাব্দে।

৬৮. চিরাগ আলি কে ছিলেন?

উঃ সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা।

৬৯. ফকির করম শাহ কে ছিলেন?

উঃ পাগলপন্থী বিদ্রোহের নেতা।

৭০. কত খ্রীষ্টাব্দে বঙ্গীয় নীল কমিশন বসে?

উঃ ১৮৬২ খ্রীষ্টাব্দে।

৭১. সন্ন্যাসী বিদ্রোহ কতদিন ধরে চলেছিল?

উঃ ১৭৬৩ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত।

৭২. সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহের কয়েকজন নেতার নাম লেখো।

উঃ ভবানী পাঠক, দেবী চৌধুরানী, মজনু শাহ, চিরাগ আলি, মুসা শাহ প্রভৃতি।

৭৩. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর কোন কোন উপন্যাসে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের কথা তুলে ধরেছেন?

উঃ আনন্দমঠ ও দেবীচৌধুরাণী।

Post a Comment

0 Comments